সারা দেশ ঢাকা

হুমকিতে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক, বিলীন হচ্ছে ফসল

ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: ১৭ জুন, ২০২৬ এ ০১:২৭ PM ৩৪৩৪১৭ জুন, ২০২৬
শেয়ার:
হুমকিতে ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়ক, বিলীন হচ্ছে ফসল

অকাল বন্যায় ভূঞাপুরে যমুনার ভাঙন

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও প্রবল বর্ষণে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে আগাম ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তীব্র ঝুঁকিতে পড়েছে ঢাকা-তারাকান্দি আন্তঃজেলা মহাসড়ক। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জিও ব্যাগ ফেললেও স্থানীয়দের অভিযোগ— শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী কাজ না করায় প্রতি বছর এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-তারাকান্দি মহাসড়কের কোল ঘেঁষে থাকা নলিন-শাখারিয়া এলাকায় ভাঙন সবচেয়ে তীব্র। যমুনার প্রবল স্রোত পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই আগাম পানিতে ভাঙন দেখা দেওয়ায় ফসলের মাঠে থাকা পাট, তিল, কাউন ও ধঞ্চেসহ বিভিন্ন ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যমুনা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলেই এই অকাল ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। শুধু ভূঞাপুরই নয়, ভাঙন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পার্শ্ববর্তী কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানেও।

এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি: স্থায়ী বাঁধ:

যমুনার পূর্ব পাড়ে একটি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বাঁধের দাবিতে তারা বহুবার মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা বলেন, "প্রতি বছর বন্যা শুরু হলে তড়িঘড়ি করে জিও ব্যাগ ফেলা হয়। অথচ শুষ্ক মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড ঘুমিয়ে থাকে। তখন কোনো কাজ করা হয় না।"

বর্তমানে নলিন ও শাখারিয়া এলাকার ভাঙন ঠেকাতে ২৩৫ মিটার এলাকাজুড়ে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলছে। তবে পানির তোড়ে কিছু কিছু জায়গায় আগের বসানো সিসি ব্লকও ধসে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, নদী ভাঙন রোধে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় সিসি ব্লক ফেলা হয়েছিল। তবে নতুন করে কোথাও ভাঙন দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এএস/

ট্যাগ:#অকাল বন্যায়#ভূঞাপুর#যমুনার ভাঙন#

মন্তব্য করুন

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

Published১৭ জুন, ২০২৬

সর্বশেষ সংবাদসমূহ

খবর পাঠান

আপনার এলাকার সংবাদ আমাদের পাঠান

এখনই পাঠান