আদিতমারীতে প্রশাসন ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর: ৩ দিনের রিমান্ড শেষে ১১ আসামি আদালতে

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের পৃথক দুটি মামলায় গ্রেফতারকৃত ১১ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড শেষে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের ফলিমারী গ্রামে আলোচিত ‘নন্দিনী শিশু হত্যা’র ঘটনা তদন্তে গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে ঘটনাস্থলে যান জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিজিবি অধিনায়ক ও ফায়ার সার্ভিসসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ওই সময় স্থানীয় ও বহিরাগত কিছু লোক আকস্মিক উত্তেজিত হয়ে প্রশাসনের গাড়ি ভাঙচুর করে এবং দায়িত্বরতদের মারপিট করে গুরুতর আহত করে।
এই ঘটনায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক ও আদিতমারী থানা পুলিশের পক্ষে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। উভয় মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১,৫০০ জনকে আসামি করা হয়।
মামলা ও রিমান্ডের বিবরণ:
মামলা নং ১১: আদিতমারী থানা পুলিশ কর্তৃক দায়েরকৃত (১৭/০৬/২০২৬ ইং)। বাদী: এসআই আতাউর রহমান। মামলা নং ১৩: জেলা প্রশাসনের পক্ষে দায়েরকৃত (১৮/০৬/২০২৬ ইং)। বাদী: এসআই আহসান হাবীব।
রিমান্ড: গত ২২/০৬/২০২৬ ইং তারিখে পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আজ ২৫/০৬/২০২৬ ইং তারিখে রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
গ্রেফতার ও রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাশেদুল মিয়া (২০), মেহেদি হাসান (২০), জাহিদ হাসান (২২), ফজলুল হক (৪৩), আসাদুজ্জামান (৪৫), আব্দুর রশিদ (৬২), আনন্দ কুমার (২০), উত্তম কুমার (২০), নীলকান্ত (৪০) এবং জীবন চন্দ্র বর্মন (২৪)। (ভিডিও ফুটেজ দেখে যৌথ অভিযানের মাধ্যমে এদের গ্রেফতার করা হয়েছিল)।
আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নাজমুস সাকিব সজীব জানান, "ভিডিও ফুটেজ দেখে সরকারি কাজে বাধা ও গাড়ি ভাঙচুরের সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা হচ্ছে। ঘটনার সাথে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না, সবাইকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।"
এএস/
মন্তব্য করুন
কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!